চরভদ্রাসনে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

0
99

সংবাদদাতা :: ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে হাজেরা বেগম (২১) এক গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সকালে উপজেলার চরহরিরামপুর ইউনিয়নের ছমির বেপারির ডাঙ্গীর গৃহবধুর স্বামীর বাড়ী এই ঘটনা ঘটে। হাজেরার স্বামী শেখ আমজাদ ও দেবর খোকন ঘটনার পরে পালিয়েছে।

খবর পেয়ে শুক্রবার বিকালে চরভদ্রাসন থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। গৃহবধূ একই গ্রামের কৃষক ছুরমান খার মেয়ে।

গৃহবধুর বড় ভাই বাদশা খাঁ জানান, একই গ্রামের ছোহরাব শেখের ছেলে শেখ আমজাদের সাথে চার বছর আগে বিয়ে হয় হাজেরার । বিয়ের সময় ৫০ হাজার টাকা নগদ যৌতুকও দেওয়া হয়। বিয়ের বেশ কিছুদিন পর হাজেরা তার মাকে জানায় আমার মনে হয় স্বামী বাড়িতে সুখ হবে না! সব সময় একথা বলে আসছিল পরিবারের সদস্যদের কাছে।

একই গ্রামে বাড়ি হওয়ায় ঘটনার ২০ মিনিট পুর্বে আমি ছোট বোনের সাথে দেখা করে গাঁয়ের মাঠে কাজ করতে যাই। সে সময় বোন জামাই ঘরেই ছিল। মাঠ থেকে চিল্লা চিল্লির আওয়াজ শুনে আমি ছুটে এসে দেখি বোনের লাশ ঝুলছে। তার শরীরে ধুলো জরানো ও ঘরের দরজা খোলা।

তিনি আরো দাবী করেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে শিখাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে দড়ি দিয়ে তাকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কি নিয়ে তাদের মধ্যে কলহের সৃষ্টি হয় তা আমাদের জানা নেই।

মৃতদেহ ফেলে রেখে হাজেরার স্বামী আমজাদ, ও দেবর খোকন পালিয়ে যাওয়ার কারনে হাজেরা কে হত্যা করা হয়েছে বলে এলাকাবাসীও ধারনা করছে।

চরভদ্রাসন থানার উপ-পরিদর্শক শরীফ আব্দুল বাকীর বলেন, হাজেরা বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়না তদন্তের পরই জানা যাবে এটা হত্যা না আত্মহত্যা।

চরহরিরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমির খাঁন জানান ,ঘটনার সময় আমি এলাকায় ছিলাম না। ঘটনাটির কথা আমাকে স্থানীয়রা জানিয়েছে। ময়না তদন্তোর পরই মৃত্যুর আসল ঘটনা জানা যাবে।

হাজেরা বেগমের তিন বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে।

print

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here