প্রাথমিকে শিক্ষকদের বড় নিয়োগ আসছে

0
87

নিউজ ডেস্ক :: প্রাথমিকে রাজস্ব খাতের বাইরেও নতুন কর্মসূচির আওতায় একটি বড় অংশের শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী ২০২৩ সাল নাগাদ এ কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিচালিত চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) প্রথম যৌথ বার্ষিক পর্যালোচনা সভার মাধ্যমে এ নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন অঞ্চল ভিত্তিক চাহিদার বিবেচনায় এ নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। কিছু চাহিদা আমরা হাতে পেয়েছি। সেটার ভিত্তিতে কাজ চলছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যে আরো পদ সৃস্টি হবে। সে আলোকে নিয়োগের কার্যক্রম চলবে। এছাড়া এ বছরের মধ্যে রাজস্ব খাতের আওতায় ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ নুরুল আমিন চৌধুরী রাইজিংবিডিকে বলেন, চাহিদার ভিত্তিতে খালি হওয়া দেশের বিভিন্ন স্কুলে আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে ৬১ হাজার ১৬৬ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এ প্রক্রিয়ায় উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে রয়েছে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), জাপান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (জাইকা), জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) ও বিশ্ব ব্যাংক। এছাড়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর (ডিপিএইচই) কর্মসূচিতে পূর্ত, অবকাঠামো ও প্রকৌশলগত সহযোগিতা করছে।

পাঁচ বছর মেয়াদি চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি সরকারের নেয়া প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সর্ববৃহৎ উদ্যোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে সরকারি প্রাইমারি স্কুলে নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদেরকে কমপক্ষে দুবছর দেশের চরাঞ্চল অথবা দুর্গম এলাকায় চাকরির বিষয়ে ভাবছে সরকার। একই সাথে তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখার বিষয়েও চিন্তা রয়েছে।

দুর্গম এলাকার শিক্ষা বিস্তারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ উদ্যোগ নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

এ বিষেয়ে কথা বলতে গেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ বলেন, উপজেলা পর্যায়ে যারা ক্লাস নেবেন সেটি তাদের জন্য অবশ্যই কষ্টের বিষয় হবে। তবে এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট একটি সময় শেষে তাদের পদোন্নতির বিষয়ে আলাদা প্রাধান্য দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, যাতায়াত ব্যবস্থার অসুবিধার কারণে শিক্ষার আলো থেকে দুর্গম এলাকাগুলো ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। বিশ্বায়নের এই যুগে আন্তর্জাতিক সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে দেশের সব এলাকায় সুষম উন্নয়ন ঘটানো প্রয়োজন। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-৪) অর্জনের জন্যও এটি জরুরী।

print

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here