পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নির্দেশনা কারীদের মুখ উন্মোচনের দাবি সুশীল সমাজের

0
68

লিড-নিউজ :: পিলখানা বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার পেছনে যারা কলকাঠি নেড়েছেন বা নির্দেশনা দিয়েছেন তাদের মুখ উন্মোচনের দাবি ও তদন্ত কমিটি গঠন করে এ ঘটনার পেছনের অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা।

আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরাম (বোয়াক) পিলখানা হত্যাকাণ্ড, হত্যাকাণ্ডের বিচার ও আমাদের অনুভূতি বিষয়ক এক আলোচনায় সভায় সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি (অব.) এ এইচ এম শামসুবিদ্দন চৌধুরী মানিক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সংসদ সদস্য মুহম্মদ শফিকুর রহমান, সাবেক পুলিশ প্রধান এ কে এম শহীদুল হক, মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশীদ, একাত্তর টিভির বার্তা সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব ডা. মামুল আল মাহতাব স্বপ্লীল।

প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযোদ্ধার বিপক্ষে শক্তি বিএনপি-জামায়াত যে সূত্রে বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে সেই শক্তি আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতার, বিচক্ষণতা ও বুদ্ধিমত্তার কারণে এ সরকার টিকে রয়েছে।

তিনি বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষ হত্যাকারীদের বিচার হলেও এর পেছনে যারা কলকাঠি নেড়েছে তারা এখনো আড়ালে রয়ে গেছে। এ ঘটনার মূল হোতাদের পরিচয় দেশের মানুষ জানতে চায়, তদন্ত করে এসব ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

সাবেক পুলিশ প্রধান এ কে এম শহীদুল হক বলেন, পিলখানার হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পুলিশের বড় দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অনেককে উদ্ধার করতে হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে পুলিশ তদন্ত কাজ শেষ করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মতো এত বড় একটি ঘটনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের প্রজ্ঞা, দূরদর্শীতা দিয়ে সুন্দরভাবে সমাধান করেছেন। ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে, সে সময় ক্যান্টনমেন্টগুলোতে আগুন জ্বলছিল, সে সময়ে সেখানে প্রধানমন্ত্রী নিজে গিয়ে সেনা কর্মকর্তাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তাদের স্বাভাবিক রেখেছেন।

মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশীদ বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড বিজিবির ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়, রাজনৈতিক উদ্দেশ হাসিল করতে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এ ঘটনায় নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হলেও এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। শেখ হাসিনা সরকার ঠান্ডা মাথায় তা মোকাবিলা করেছে। কম রক্তপাতের মাধ্যমে সেটি দমন করতে সক্ষম হয়েছে।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময়ের সভাপত্বিতে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

print

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here