নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে প্রত্যাশা ভাঙ্গাবাসীর”

0
147

মামুনুর রশিদ :: আপনাকে স্বাগতম! নবাগত ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রকিবুর রহমান খান। আপনাকে স্বাগত জানাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সফরকৃত ভাঙ্গার  স্মৃতিবিজড়িত স্থান ভাঙ্গা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এবং বঙ্গবন্ধুসহ তার সফর সঙ্গীদের বহনকৃত কুমার নদীর যেখানে ভীরে ছিল কালের সাক্ষি লঞ্চটি (ডাকবাংলার সামনে)। ভাঙ্গার জনগণ এবং আওয়ামীলীগের প্রবীণ নেতা কর্মীদের হৃদয়ে ধারণকৃত স্মৃতি সম্বলিত শান্তিপূর্ণ ও রাজনৈতিক কলহমুক্ত আমাদের ভাঙ্গা উপজেলায় ।

এখানেই শেষ নয়! আপনাকে জানাতে চাই বাঙ্গালী জাতির মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের পিতার কর্মক্ষেত্র ভাঙ্গার চৌকি আদালতে সংরক্ষিত রাখা ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত একটি চেয়ার এবং টেবিল বিশেষত নিদর্শন হিসাবে সদ্য প্রকাশিত অমরগাথা ভাঙ্গায়।

শ্রদ্ধা, ভালবাসার আদলে পরমমমতায় ভাঙ্গা চৌকি আদালতের সেই কক্ষে ঐতিহাসিক সেই চেয়ার এবং টেবিলটি রাখা আছে সযত্নে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের আইন মন্ত্রীর ভাঙ্গায় শুভাগমন উপলক্ষে “প্রথমবারের মত বঙ্গবন্ধু পরিবারের বিশেষময় স্মৃতি ভাঙ্গার চৌকি আদালতে রয়েছে বলে আত্মপ্রকাশনার নতুন ইতিহাসের পাতার এই ভাঙ্গায় আপনাকে স্বাগত জানাই।

ভাঙ্গার উন্নয়ন সভায় আপনার সততা, নিষ্ঠা এবং অন্যায়ের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর সম্পর্কে অনেকেই তুলে ধরেছেন। অভিনন্দন আপনাকে! সরকারের একজন দায়িত্বশীল প্রতিনিধি হিসাবে নিজের দক্ষতা, সততা নিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে জনগণের ন্যায় সঙ্গত কাজে আপনার সম্পৃক্ততা পরিস্ফুটিত হয়ে উঠবে সেই প্রত্যাশা ভাঙ্গাবাসীর।

রাজনৈতিক ইতিহাসের পাতায় ভাঙ্গা আসন নৌকার আসন। ভাঙ্গার জনগণ নৌকা প্রেমী। স্বাধীনতা পরবর্তী গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতীক বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নৌকা মার্কার প্রার্থী ভাঙ্গায় বিজয় লাভ করেছেন।

কিন্ত গত দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী এখানে পরাজিত হন। সেই পরাজয় অবশ্য স্বাধীনতার বিপক্ষের কোন শক্তির কাছে নয়! উপরন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক এবং তারই দৌহিত্রর কাছে।

শক্তিমান দুইজন নেতার আবির্ভাবে ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসনে আওয়ামীলীগের ভোট ব্যাংক দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে এক নতুন মাত্রার রাজনীতি যুক্ত হয়েছে ফরিদপুর-৪ আসনে। একদিকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বর কাজী জাফর উল্লা অন্যদিকে দুইবারের নির্বাচিত সাংসদ মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন এমপি।

স্বৈরশাসনামল ও চারদলীয় জোট ক্ষমতার সময়ে ভাঙ্গার আসন থেকে আজ পর্যন্ত বিএনপি বা অন্য কোন দলের নেতা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারে নি (শুধু একটি প্রহসন নির্বাচনে প্রয়াত এ্যাডঃ সরোয়ারজান মিয়ার নাম বিজয়ের তালিকায় উঠে এসেছিল)। পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনগুলোতে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ভাঙ্গায় বিজয় লাভ করেন।

কিন্ত——–২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীর বিপক্ষে উল্কা পিণ্ডের গতিতে ঝড় হাওয়া তোলেন শিবচরের মাটি-মানুষের নেতা দাদা ভাই বলে খ্যাত প্রয়াত সাংসদ ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরীর ছোট সন্তান। জনগণের ভাষ্য মতে তিনি হলেন রাজনীতির রিয়েল হার্টথ্রব! যাকে জনগণ উপাধিই দিয়েছেন ছোট মুজিব অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন।

গত দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সনের বিজয়ী হওয়ায় স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের ললাটে উঠে পরে হতাশার ছবি। আওয়ামীলীগের রাজনীতির মাঠ চাঙ্গা করতে কাজী জাফর উল্লাসহ নেতা কর্মীরা সমূদয় কৌশলী ধারায় কাজ করছেন।

তবে ভাঙ্গায় রাজনীতিতে দুটি অংশ হলেও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সূত্রতায় সৃষ্ট ঘটনা প্রায় নেই বললেই চলে। আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বর কাজী জাফর উল্লা এবং সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন আওয়ামীলীগের উন্নয়নের কথা প্রচার করছেন। নেতাদ্বয় জনরাজনীতির প্রতি শ্রদ্ধা ও আস্থাশীল।

পাশাপাশি নির্বাচিত এলাকার উন্নয়ন এবং সরকারের উন্নয়নের রাজনীতির ধারাবাহিকতায় সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন এমপি জনতার মনের গহীনে নিভৃত বসবাস শুরু করছেন।  জনগণের সিক্ত ভালবাসায় তিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত হয়ে নিজের থেকেও জনতার কাতারে শামিল হয়েছেন এই জনপ্রিয় সাংসদ।

অন্যদিকে ভাঙ্গার আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বর কাজী জাফর উল্লার পিতা প্রয়াত কাজী মাহাবুব উল্লা এবং তার ভাই প্রয়াত ডাঃ কাজী ইউসুফ (ভাঙ্গার সাবেক সাংসদ) পাশে থাকার দৌলতে তাদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসার জন্য নৌকার সমর্থকেরা সাবেক সাংসদ কাজী জাফর উল্লার পাশে আছেন অভিমত স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের।

ভাঙ্গা উপজেলা একটি শান্তিপূর্ণ উপজেলা বিধায় কাজের ক্ষেত্রে প্রশাসন শান্তিপূর্ণভাবে কাজ করছে। বিশেষ কোন প্রতিবন্ধতা নেই বললেই চলে। উপরন্ত সম্মানিত দুই নেতার সজাগ দৃষ্টি রয়েছে প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের ওপর। রাজনৈতিক কারনে কোন সমস্যার সৃষ্টি হলে তার সমাধানে পরস্পরে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে  দেন প্রশাসনের সাথে।

১২টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা নিয়ে ভাঙ্গা উপজেলা। পৌরসভার মেয়র এএফএম রেজা ফয়েজ। তিনি অত্যন্ত মেধাবী, বিনয়ী একজন জনপ্রিয় পৌর মেয়র। ১৯৯৭ সালে পৌরসভা গঠন হওয়ার পর থেকে প্রশাসক থেকে নির্বাচন করে বার বার পৌর মেয়র নির্বাচিত হয়ে আসছেন। আওয়ামীলীগ নিবেদিত প্রাণ হিসাবে এখনও তার বিকল্প কেউ গড়ে উঠেনি। ভাল কাজে তার সহযোগিতার হাত সকল সময়ে বাড়িয়ে থাকেন বলে তার জনপ্রিয়তা রয়েছে।

ভাঙ্গা উপজেলার সম্মানিত চেয়ারম্যান এসএম হাবিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন এমপির আস্থাভাজন ব্যাক্তি। একজন উপজেলার অভিভাবক হিসাবে তিনিও অত্যন্ত সৎ ও সজ্জন ব্যক্তি। একজন উদারপন্থী চেতনার মানুষ বলে গোটা উপজেলায় বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেছেন দায়িত্ব গ্রহনের শুরু থেকে।

ভাঙ্গা পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ এবং উপজেলা প্রশাসন সমন্বয়ে উপজেলার সকল কাজের ক্ষেত্রে গতি আরও বেগবান হবে বলেও আমরা প্রত্যাশা রাখি।

ভাঙ্গার সামাজিক ব্যবস্থা সুন্দর। সম্মানিত মানুষকে সম্মানিত করতে ভাঙ্গাবাসী কেউ কুণ্ঠিত নয়। সামাজিক দৃশ্যপটে ভাঙ্গার জনগণ অন্যায় কাজের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সঞ্চারিত শক্তি হয়ে ঐক্যবদ্ধ এবং তারা মোকাবেলা করে থাকে।

জনগণের প্রতিপক্ষ বলে যদি কেউ নিজের পরিচয় তুলে ধরেন তাহলে সামাজিকভাবেই তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে থাকে। ভাঙ্গায় ধর্মপ্রাণ মুসলমান সম্প্রদায়ের বসবাস বেশী হলেও অন্য সকল ধর্মের মানুষের প্রতি তারা শ্রদ্ধাশীল। সকলেই সম্পৃক্ততার বন্ধনে চলেফেরা করে থাকে বলে দীর্ঘদিনের প্রমাণিত সত্য।

ভাঙ্গায় সামাজিক জীবন যাত্রার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন এলাকায় প্রতারক চক্র ওয়েলকাম পার্টি মারাত্মক আঁকারে গ্রাস করেছে। ভাঙ্গা পৌরসভার অভ্যন্তরেও এদের নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে।

এছাড়া মাদক ও চোরাচালানের ব্যবসা এখানে দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে ইয়াবা ট্যাবলেট, হিরোইন, গাঁজা, ফেন্সিডিল বিক্রেতা ও সেবনকারী সংখ্যা জ্যামিতিকহারে বেড়েছে। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে চোরাচালান কারবারীরা সড়ক, নদী পথসহ বিভিন্নভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।

এছাড়া আইপিএল জুয়া, বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকায় ক্যারাম খেলার আখড়া বানিয়ে গেম প্রতি লাখ লাখ টাকায় জুয়া খেলার প্রবণতা, আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যক্রম, সরকারি অফিস আদালতে দালাল চক্রের ব্যবসা, বাল্য বিয়ে, রাস্তা ঘাটে উঠতি বয়সের রোমিওদের ইভটিজিসহ কিছু সামাজিকব্যাধী থেমে নেই।

বিভিন্ন সময়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় সরকারি-বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা, কর্মচারীদের অনিয়ম, দুর্নীতি, সামাজিক ব্যাধীর চিত্র উঠে আসলেও সহসায় দৃষ্টান্তমূলক কোন নজীর উপজেলা প্রশাসন স্থাপন করেছে বলে ভাঙ্গাবাসীর নজরে আসে নি।

প্রসঙ্গত কারনে উল্লেখ না করলেই নয়! আপনার আগের উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভাঙ্গায় এসে নিজের অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয় মিডিয়া কর্মীরা ফলাও করে তা প্রকাশ করেন। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই ভাঙ্গার জনগণ পরিলক্ষিত করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিজের চেয়ারবাদে তার অফিসের কেউ কেউ নিজের অফিসারের নাম ভাঙ্গিয়ে অনৈতিকভাবে জনতার অধিকার গিলে নিচ্ছেন।

ভাঙ্গাবাসীর অভিমত, ভাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের অধীনের সরকারি ১৭টি দপ্তরের মধ্যে কয়েকটি দপ্তর রয়েছে যেখানে কি পরিমাণ অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিনিয়ত হচ্ছে আশাকরি আপনি গোপনে নজরদারি করলেই সেই চিত্র উঠে আসবে বলে ভাঙ্গার সচেতন মহল মনে করেন।

সেইক্ষেত্রে আপনি উপজেলা প্রশাসনিক প্রধান হিসবে কিছু মিষ্টভাষী আপনার পাশে থেকে মিষ্ট ভাষায় ভালবাসা অর্জন করতে চাইবে। উপজেলা সভা সেমিনারে আপনাকে সরকারি অফিসার থেকে সরকারি জনবান্ধব অফিসার হিসাবে আখ্যায়িত বলে প্রচার করবে।

তাদের উদ্দেশ্যে নিজেদের দপ্তরে কি হচ্ছে তা যেন আপনি সহসায় বুঝতে না পারেন! এরা বছরের পর বছর একই স্টেশনে চাকুরি করবেন। আবার অন্যত্র বদলী হলেও ফের উপর মহলে তদ্বির করে ভাঙ্গায় ফিরে আসবেন এবং আসছেন-তার নজীর কম নেই।

আবার উপজেলার কোন অফিসারের বিরুদ্ধে অনিয়ম বা দুর্নীতির কোন অভিযোগ হয় তাহলে প্রথমে কনভেন্স করার সকল উপায় তারা বেছে নেয়। কাজ না হলে জনগণের কাছে নানাবিধ কিচ্ছা কাহানী তারা ছেড়ে দেন। যদি এতেও কাজ না হয় তাহলে যে কোন ভাল অফিসারের বিরুদ্ধে কোরামিন হিসাবে অসাধু দপ্তর প্রধানরা কানপরা তুলে দিবেন নেতাদের কানে। এরপর ভাগ্যে জা ঘটে?

আত্মসমালোচনা না করলেই নয়।

মিডিয়া জগত প্রসারিত হওয়ায় ভাঙ্গায় সংবাদকর্মীদের সংখ্যা বেড়েছে। জাতীয় পর্যায়ের সাংবাদিকদের মত মফস্বল এলাকায় বিট ভাগ করা নেই বলে একজন মফস্বল সংবাদকর্মীকে সকল সংবাদের পিছনে ছুটতে হয়। ভাঙ্গায় পেশাদার সংবাদকর্মী হিসাবে হাতেগণা কয়েকজন। অপেশাদার সংবাদকর্মী সংখ্যা কিছু বেশী। তবে জাতীয় যে কোন কাজের ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা এক এবং অভিন্ন।

ভাঙ্গায় একটি অনলাইন প্রেসক্লাব এবং ৩টি অংশে ভাঙ্গা প্রেসক্লাব বিভক্তি। রয়েছে একটি উপজেলা প্রেসক্লাব। যারা বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব সাংবাদিক নেতা শাবান মাহমুদের আস্থাভাজন এবং নিবেদিত হয়ে পথ চলছেন ২০০০ সাল থেকে।

কিন্তু আজকাল দেখা যাচ্ছে সাংবাদিকদের বিভক্তির কারনের সুযোগ গ্রহনে কিছু সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিলে সাংবাদিকদের প্রায় ব্যবহার করে থাকেন। নাম সর্বস্ব কিছু সংবাদকর্মী, যারা অপরাধ জগতের সাথে সম্পৃক্ত এমন অনেককেই প্রশাসনের কেউ কেউ কাছে টানায় রপ্ত রয়েছে। বিষয়টি অত্যান্ত নিন্দনীয় বলে মনে করেন সচেতন সাংবাদিক মহল।

আমাদের মনে রাখা দরকার অনিয়ম আর দুর্নীতির খবর যতই গোপন রাখা হোক না কেন, ভাঙ্গার সাহসি এবং চৌকশ সাংবাদিকদের কেউ না কেউ সাহসী ভুমিকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে থাকেন। আপনার অবগত করতে আরও জানাই, ভাঙ্গা উপজেলা থেকে ৪টি সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশনা রয়েছে। জাতীয় অনেক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে পত্রিকার অফিস পর্যন্ত প্রায় আমন্ত্রণপত্র পৌছায় না। আশাকরি আপনি বিষয়টি নজরে আসলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।

সর্বশেষ সদা হাস্যজ্জল নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে ভাঙ্গাবাসীর চাওয়া আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আমরা ভাঙ্গাবাসী নেতা হিসাবে যাদেরকে কাছে পেয়ে পথ চলে আসছি আপনার শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা অটুট রেখে ভাঙ্গার উন্নয়নে সরকারের উন্নয়নের ধারা আরও তরান্বিত গতিতে এগিয়ে চলুক। ভাঙ্গাবাসী আপনার দপ্তর এবং সরকারি দপ্তরগুলো থেকে সামাজিক কাজের ক্ষেত্রে সম্মানিত সেবা পাবেন আমরা সেই প্রত্যাশা করছি।

সেই সাথে বলতে চাই, ভাঙ্গাবাসীর কাছে এবং স্থানীয় রাজনীতির হাওয়ায় ভেসে বেড়িয়ে ছিল পূর্বের উপজেলা নির্বাহী অফিসার সততার সাথে কাজ করলেও উপজেলা প্রশাসনিক প্রধান হওয়ায় জনগণের কাছে নিজেকে ঠিকভাবে পৌছে দিতে না পারা। প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজের দৃষ্টি ভঙ্গিকে প্রাধান্য এবং জনসম্পৃক্ত কাজে নিজেকে উত্থাপিত করতে না পারা, উপজেলা পরিষদ এবং উপজেলা প্রশাসনের কাজের ক্ষেত্রে মুখোমুখি দাড় করে অস্থিথিশীল পরিবেশ সৃষ্টিসহ নানবিধ কারনে শেষ মুহূর্তে সামাজিক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি একটি সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়ে উঠে ছিলেন।

সম্প্রতি বদলীজনিত কারনে তিনি বদলী হলেও আগামী দিনে ভুলগুলো এবং তিনি নিজেকে শূদ্রে নিবেন প্রত্যাশা রেখে তার সার্বিক উন্নয়ন কামনা করছি। আমাদের লেখায় কোন ভুল হলে অবশ্যই তা শূদ্রে নিতে আপনার সহযোগিতা কামনা করি। আপডেট

print

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here