কারামুক্ত হয়ে ফিরোজা ভবনের পথে খালেদা জিয়া

0
69

লিড-নিউজ :: কারাবন্দি জীবন থেকে অবশেষে মুক্তি পেলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

মানবিক দিক বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুই শর্তে বেগম জিয়াকে ৬ মাসের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

এরপর আজ বিকেলে কারামুক্ত হন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তার সঙ্গে মুক্তি পান গৃহকর্মী ফাতেমাও।

এরআগে, মুক্তির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর বিকেল ৪টা ১০ মিনিটের দিকে খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসতে থাকেন। এ সময় তার ব্যবহৃত জিনিসপত্রও তোলা হয় বহনকারী গাড়িতে।

সোয়া ৪টার সময় হুইল চেয়ারে করে বেরিয়ে আসেন খলেদা জিয়া। তাকে উঠানো হয় ভাইয়ের গাড়িতে ।

খালেদা জিয়ার মুক্তির সময় ভাই শামীম ইস্কান্দার ছাড়াও বিএসএমএমইউ হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন ডা. হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত মেডিকেল টিমের সদস্যরাও।

এর আগে খালেদা দণ্ড স্থগিত এবং জামিনের কাগজপত্র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হয়ে বিএসএমএমইউতে আসে। এরপর খালেদাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

জানা যায়, মুক্তি পাওয়ার পর খালেদাকে ছোট ভাইয়ের গাড়িতে করে তার গুলশানের বাসা ফিরোজা ভবনের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিএসএমএমইউ-এর তিন নম্বর প্রবেশ গেট থেকে রোগী, সংবাদকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। সকাল থেকে বিএসএমএমইউতে ছিলেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ।

উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের কথা জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছিলেন, মানবিক দিক বিবেচান করে তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে খালেদা জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে ৬ মাসের জামিন দেওয়া হয়।

খালেদা জিয়ার মুক্তি প্রাপ্ত খবরে গতকাল তার বোনসহ পরিবারের সদস্যরা গণমাধ্যেমের কাছে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার সময় সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়া সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান বিএনপির নেতাকর্মীসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

গত বছর ১ এপ্রিল পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে রাখা হয় এবং তার বিরুদ্ধে মোট মামলার সংখ্যা ৩৬টি।

print

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here