• বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মোবাইলে সরাসরি রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবেন প্রবাসীরা ১০ টাকার টিকিট কেটে চোখ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী ভাঙ্গায় নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ভাবনা সেমিনার অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রে ৩ ফুটবলারকে গুলি করে হত্যা ভাঙ্গায় আরও ৪০টি ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ঘর বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের সদস্য হলো বাংলাদেশ ভাঙ্গা মাদানী নগর কবর স্থান পরিচালনার নতুন কমিটি গঠন অধ্যক্ষ আবু ইউসুফ মৃধা ভাঙ্গায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, পুলিশকে দুষছেন বিএনপির আমান ভাঙ্গায় শান্তিপূর্ন পরিবেশে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

আমজাদ হোসেন আর নেই

Reporter Name / ১০০৯ Time View
Update : শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮

ডেস্ক প্রতিবেদক ::

বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেন আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৫৭ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ২০ নভেম্বর মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন আমজাদ হোসেনের দুই ছেলে সোহেল আরমান ও সাজ্জাদ হোসেন দোদুল। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন ডিরেক্টরস গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক এস এ হক অলিক।

গত ১৮ নভেম্বর রোববার সকাল ৯টার দিকে আমজাদ হোসেনের স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার তাঁকে (আমজাদ হোসেন) বিছানার নিচে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। কখন তিনি অচেতন হয়েছেন, তা আঁচ করতে পারেননি সুরাইয়া আক্তার। এরপর সকাল ১০টার দিকে তাঁকে ইমপালস্ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তারপর হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। চিকিৎসকরা জানান, রোববার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয় আমজাদ হোসেনের। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ২৭ নভেম্বর রাত আড়াইটার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে ব্যাংকক নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর হার্টবিট, ব্লাডপ্রেশার এবং কিডনি ইনফেকশনের জন্য ডায়ালাইসিস চলছিল বলে জানান তাঁর ছেলে সোহেল আরমান।

আমজাদ হোসেন অভিনেতা, পরিচালক হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। ১৯৬১ সালে ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রে অভিনয় দিয়ে চলচ্চিত্র শুরু করেন তিনি। পরে চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনা শুরু করেন।

প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘আগুন নিয়ে খেলা’, ছবিটি পরিচালনা করেন ১৯৬৭ সালে। পরিচালক হিসেবে ‘নয়নমণি’ (১৯৭৬), ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৮), ‘ভাত দে’ (১৯৮৪) তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র।

‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ ও ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেন। সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক (১৯৯৩) ও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

এ ছাড়া সাহিত্য রচনার জন্য তিনি ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে দুবার অগ্রণী শিশু সাহিত্য পুরস্কার ও ২০০৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ