• বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মোবাইলে সরাসরি রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবেন প্রবাসীরা ১০ টাকার টিকিট কেটে চোখ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী ভাঙ্গায় নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ভাবনা সেমিনার অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রে ৩ ফুটবলারকে গুলি করে হত্যা ভাঙ্গায় আরও ৪০টি ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ঘর বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের সদস্য হলো বাংলাদেশ ভাঙ্গা মাদানী নগর কবর স্থান পরিচালনার নতুন কমিটি গঠন অধ্যক্ষ আবু ইউসুফ মৃধা ভাঙ্গায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, পুলিশকে দুষছেন বিএনপির আমান ভাঙ্গায় শান্তিপূর্ন পরিবেশে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

যুদ্ধাপরাধে নেত্রকোনার মজিদ মাওলানাসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name / ৮২০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০১৯

ডেস্ক প্রতিবেদক ::

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধের মামলায় নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার শেখ মো. আব্দুল মজিদ ওরফে মজিদ মাওলানাসহ পাঁচ জনের মৃত্যুদন্ড দিয়ে আজ রায় ঘোষণা করেছে ট্রাইব্যুনাল।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনানের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামীদের মধ্যে শেখ মো. আব্দুল মজিদ ওরফে মজিদ মাওলানা ছাড়াও অপর চার আসামি হলেন-মো. আব্দুল খালেক তালুকদার, মো. কবির খান, আব্দুস সালাম বেগ ও নুরউদ্দিন। এদের সবাই বর্তমানে পলাতক।

আজ ২৪০ পৃষ্ঠার রায়ের সংক্ষিপ্তসার পড়া হয়। এর আগে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে গত ২৮ জানুয়ারি মামলাটি যেকোনো দিন রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রেখে আদেশ দিয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ রায় ঘোষণার তারিখ গতকাল বুধবার ধার্য করে দেয় ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মোখলেছুর রহমান বাদল ও সাবিনা ইয়াসমিন মুন্নি। আর আসামিদের পক্ষে (ষ্ট্যাট ডিফেন্স) ছিলেন এডভোকেট গাজী এম এইচ তামিম। এই মামলার আসামি ছিলেন সাতজন। তাদের মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা যান আহাম্মদ আলী (৭৮)। আর মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় মারা যান আরেক আসামী আব্দুর রহমান।

আসামীদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে হত্যা, গণহত্যা, অপহরণ, নির্যাতন, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সাতটি অভিযোগ আনা হয়। ১৯৭১ সালের ২১ আগস্ট দুপুর একটায় রাজাকার বাহিনী নিয়ে বাড়হা গ্রামের আব্দুল খালেককে গুলি করে হত্যার পর কংস নদীর পানিতে মরদেহ ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগে মামলা রয়েছে। শহীদ আব্দুল খালেকের ছোট ভাই মুক্তিযোদ্ধা আ. কাদির বাদী হয়ে ২০১৩ সালে চার রাজাকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেও পরে তদন্তে আরও তিন জনের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে মোট আসামী হয় সাতজন। বিচার চলাকালে এ মামলার দুই আসামী মারা যান। আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত সাতটি অভিযোগই প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে প্রসিকিউশন। এটি মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধের মামলায় ৩৬ তম রায়। বাসস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ