• শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২, ১০:৪৩ অপরাহ্ন

প্রাথমিক শিক্ষক: নারীদেরও যোগ্যতা হতে হবে স্নাতক

Reporter Name / ৮২৬ Time View
Update : বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৯

ডেস্ক প্রতিবেদক ::

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯ জারি করেছে। এবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে নারী প্রার্থীদেরও শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক হতে হবে। এমন বিধান রেখে আগের বিধিমালা সংশোধন করে বিধিমালা ২০১৯ জারি করা হয়েছে। এতদিন এইচএসসি পাসের সনদ থাকা নারীরা প্রাথমিক শিক্ষক হতে পারতেন।

এ বিধিতে বলা হয়েছে, কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা অনার্স অথবা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। বয়সসীমা ২১ থেকে ৩০ বছর। তবে নারী প্রার্থীদের জন্য ৬০ শতাংশ কোটা বহাল থাকবে। ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা ও বাকি ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিষয়ে পাস প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। যদি ২০ শতাংশ কোটা পূরণ না হয়, তবে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে।

বিধিমালায় প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) নীতিমালার সঙ্গে সংগতি রেখে বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে। বয়স ২৫-৩৫ বছর থেকে কমিয়ে ২১-৩০ বছর করা হয়েছে। এ ছাড়া পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৬৫ শতাংশ আর পিএসসির মাধ্যমে ৩৫ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হবে।

বিধিমালায় বলা হয়েছে, বর্তমানে যে কোনো বিষয়ে পাস করা প্রার্থীর সমান সুযোগ রয়েছে। মোট পদের শতকরা ২০ ভাগ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের মধ্য থেকে নেওয়া হবে। এ ছাড়া ক্লাস্টার বা উপজেলাভিত্তিক আর্ট ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগে পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।

নতুন বিধিমালা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ আগের মতোই উপজেলা বা থানাভিত্তিক হবে। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে গঠিত সহকারী শিক্ষক নির্বাচন কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে কাউকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে না। যিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন, এমন ব্যক্তিকেও শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।

২০১৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সবশেষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা করেছিল সরকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও সংবাদ