• বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন

নিজের নগ্ন ছবি বেচে দাবানলের জন্য অর্থ সংগ্রহ

Reporter Name / ৭১৬ Time View
Update : বুধবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২০

নিউজ ডেস্ক :: অস্ট্রেলিয়ার দাবানল মোকাবেলায় অনেকে এগিয়ে এসেছেন। যে যেভাবে পারছেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। অনেক তারকাও অর্থ সহযোগিতার জন্য ভক্তদের অনুরোধ করেছেন।

কিন্তু অর্থ সংগ্রহের জন্য একটু ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছেন ২০ বছর বয়সি ইনস্টাগ্রাম মডেল কাইলেন ওয়ার্ড। দাবানল মোকাবেলায় কেউ যদি ১০ মার্কিন ডলার অথবা এর বেশি অর্থ তার উল্লেখ করা দাতব্য সংস্থায় দান করেন, তাহলে সেই ব্যক্তিকে নগ্ন ছবি পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন এই মডেল। এমনকি মাত্র চার দিনে প্রায় সাত লাখ মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছেন কাইলান। দ্য গার্ডিয়ান এই তথ্য জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা কাইলেন ওয়ার্ড ২০১৯ সালের আগস্ট থেকে ন্যুড মডেল হিসেবে কাজ করছেন। এই মডেল জানান, ক্যারাবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে ছুটি কাটানোর সময় দাবানলের বিষয়টি তার চোখে পড়ে এবং তারপরই এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

গার্ডিয়ান অস্ট্রেলিয়াকে কাইলেন ওয়ার্ড বলেন, আমি নিজে এক হাজার মার্কিন ডলার দান করেছি। আমার নির্দিষ্ট সংখ্যক অনুসারী রয়েছে। ভাবলাম, অনেক অনুসারীই হয়তো দাবানল মোকাবেলায় অর্থ পাঠাতে ইচ্ছুক হবেন।

গত ৩ জানুয়ারি মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে একটি নগ্ন ছবি পোস্ট করেন কাইলেন। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দাতব্য সংস্থার তালিকা প্রকাশ করেন, যেন তার অনুসারীরা অর্থ দান করতে পারেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তার এই টুইটটি ৭৭ হাজারবার রিটুইট হয়েছে। ‘ন্যাকেড ফিলানথ্রপিস্ট’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন কাইলেন ওয়ার্ড।

ভক্ত-অনুসারীদের কাছ থেকে অনেক ইতিবাচক সাড়াই পাচ্ছেন কাইলেন। অনেকে তাকে সত্যিকারের হিরো হিসেবে উল্লেখ করছেন। এই মডেল বলেন, এই কাজের জন্য আমি যে সাড়া পাচ্ছি তাতে আশ্চর্য হচ্ছি। টুইটারে নগ্ন ছবি বিক্রি করে অর্থ আয় করি। আমার নির্দিষ্ট সংখ্যক ভক্ত আছেন, যারা এগুলো কেনেন। এটিই আমার আয়ের উৎস। চিন্তা করলাম, অর্থ দানে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে এটি অনেক ভালো একটি উপায় হতে পারে।

তবে এই কাজে বাধার মুখেও পড়তে হচ্ছে তাকে। অনেকেই তাকে ব্যক্তিগতভাবে কটাক্ষ করছেন। শুধু তাই নয়, ৬০ হাজার অনুসারী সহ তার একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ডিলিট হয়েছে। কাইলেন ওয়ার্ড বলেন, যখনই আমি নতুন কোনো অ্যাকাউন্ট তৈরি করছি তা ডিলিট করা হচ্ছে, কিন্তু আমাকে নকল করে খোলা ফেক অ্যাকাউন্টগুলো থেকেই যাচ্ছে। ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে মানুষ আমার তথ্য চুরি করে নিচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ