• রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন

অস্ত্র মামলায় বিচার শুরু সাহেদের

Reporter Name / ৫৪১৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০

লিড-নিউজ ডেস্ক :: রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় চার্জ গঠন করেছেন আদালত। এ চার্জ গঠনের মধ্যদিয়ে আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জগঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত আগামী ১০ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেন।

সাহেদের পক্ষে তার আইনজীবী অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠনের আবেদন করা হয়।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাহেদের কাছে জানতে চান, তিনি দোষী না নির্দোষ। সাহেদ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন। এরপর আদালত তার বিরুদ্ধে চার্জগঠনের আদেশ দেন।

গত ১৯ আগস্ট একই আদালত ডিবি পুলিশের দেওয়া চার্জশিট গ্রহণ করেন।

গত ৩০ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. শায়রুল ঢাকা সিএমএম আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন। গত ১৩ আগস্ট মামলাটি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়।

গত ১৫ জুলাই (বুধবার) ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাহেদকে। পরদিন করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়া রিপোর্টসহ বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাহেদের ১০দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ডে থাকা সাহেদকে নিয়ে ১৮ জুলাই রাতে উত্তরায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

এদিকে প্রথম দফায় ১০দিনের রিমান্ড শেষে গত ২৬ জুলাই আরও পৃথক চার মামলায় সাত দিন করে ২৮দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর দুদেকর মামলায় এবং সর্বশেষ (বুধবার) পল্লবী থানার প্রতারণা ও চেক জালিয়াতির মামলায় আদালত তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ৬ জুলাই সাহেদের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তরা ও মিরপুরের রিজেন্ট হাসপাতালের দুটি শাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। অভিযানে ভুয়া করোনা টেস্টের রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে। ওইদিনই রিজেন্ট হাসপাতালের দুটি শাখাকেই সিলগালা করেন সারওয়ার আলম। সন্ধ্যায় ওই হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর সাহেদের একের পর এক অপকর্ম প্রকাশ পায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category