• শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
Headline
‘রুদ্ধদ্বার’বৈঠকে তৃতীয় দিনে বিএনপি ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইওর বাসায় র‌্যাবের অভিযান জিয়ার লাশের নামে বাক্স সাজিয়ে-গুছিয়ে আনা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনার দাবি সাংবাদিকদেরই : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অনলাইন সংবাদপোর্টাল নিবন্ধন চলমান প্রক্রিয়া, হাইকোর্টের নির্দেশনা শৃঙ্খলায় সহায়ক : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী রোববার থেকে ৪ ঘণ্টা সিএনজি স্টেশন বন্ধ অসত্য উপস্থাপন করা বিএনপির রেওয়াজে পরিণত হয়েছে: কাদের ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও সিইওর বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা কেজি প্রতি দইয়ে ৩০০ গ্রাম কম! লাখ টাকা জরিমানা ভাঙ্গায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর ও জবাদিহিমূলক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আমিও করোনা পজিটিভ : কৃতজ্ঞ ডা.প্রদীপ কুমার’বাবাকে ছুঁতে পারেনি রাফসান!

Reporter Name / ১০০ Time View
Update : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১

কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাস। সারা বিশ্বের বুকে চালাচ্ছে তাঁর অনিয়ন্ত্রিত তাণ্ডব। আমাদের দেশেও করোনা ভাইরাস সংক্রমণে পিছিয়ে নেই। প্রতিদিন শুনা যাচ্ছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণে মানুষের মৃত্যুর খবর আর নতুন করে আক্রান্তের খবর। সরকারের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে লক ডাউনসহ বিবিধ ব্যবস্থা গ্রহণ করার পাশাপাশি বিদেশ থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকা দেশে এনে বিনামূল্য জনগণকে দিচ্ছেন সরকার। দেশের মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনার শুরু থেকে সরকারী সাহায্য অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি এদেশের মানুষের জানমালের কথা ভেবে তিনি এবং তাঁর সরকারের প্রশাসন ও আওয়ামীলীগের জনপ্রতিনিধিরা যে ভাবে নিরলস শ্রম দিচ্ছেন একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

গত ৫ জুলাই থেকে আমার শরীরে কিছুটা জ্বর হতে শুরু করে। কিন্ত সাধারণ জ্বর মনে করে প্রাথমিকভাবে জ্বরের ওষুধ সেবন করি। জ্বর চলে যায় আবার আসে। এভাবে কয়েকটা দিন পর্যন্ত কেটে যায়। হটাৎ করে আমার বুকের ভিতর থেকে দম বন্ধ হয়ে আসে। কথা বলতে গেলে অনেক কষ্ট হতে থাকে। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে বড় ভাই ও আমার বড় ছেলে দ্রুত আমাকে শহরের (ভাঙ্গার চৌকি আদালতের সামনে অবস্থিত) ভাঙ্গা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রতি শুক্রবারে অভিজ্ঞ চিকিৎসকেরা রোগী দেখেন সেখানে নিয়ে যান।

আল্লাহর বিশেষ রহমত এবং মা-বাবার এবং মুরুব্বীদের দোয়া ও ভালবাসায় সেদিন ভাঙ্গার সন্তান ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার সেদিন রুগী দেখছিলেন। তাঁর কাছে শরণাপন্ন হতেই আমার শারীরিক অবস্থা দেখে বলেন, কাকা দ্রুত একটা এক্সরে করে আনেন। আপনার শারীরিক অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে করোনা। চিকিৎসকের কথা মত এক্সরে করার পর রিপোর্ট দেখে ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার আমাকে ওষুধ লিখে দেন এবং হাসপাতালে গিয়ে করোনা পরীক্ষা করাতে বলেন।

ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকারের ওষুধ সেবনকরে আমি শারীরিকভাবে বেশ প্রশান্তি পাওয়ার পরে গত ১৭ জুলাই ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে আমি করোনা পরীক্ষা করি। অতপর ২১জুলাই সরকারিভাবে আমার মোবাইল নাম্বারে আমি করোনা পজিটিভ একটি ম্যাসেজ পাই। এরপর থেকে আমার পরিবারের সকল সদস্য সতর্কতা অবলম্বন করার পাশাপাশি ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকারের চিকিৎসা মোতাবেক ওষুধ সেবন এবং আমি পুরা হোম কুয়ারেনটাইনে চলে যাই। এভাবেই ১৪ দিনের অধিক সময় ঘরে কাটিয়ে ধীরে ধীরে আমি নিজেকে অনেক সুস্থতা অনুভব করতে থাকি। আল্লাহর রহমতে আজ আমি শারীরিকভাবে অনেক সুস্থ। শুধু শারীরিক দুর্বলতা ছাড়া তেমন কোন সমস্যা অনুভব করছি না।

কিন্ত শারীরিকভাবে অসুস্থতার সময়ে কিছু কিছু সময় কি রকম ঝুঁকিতে কাটিয়েছি না বললেই নয়! ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার নির্দেশ মোতাবেক দেশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের তিন তলায় উঠার পরে আমার কলিজাবুক ধাপর ধাপর করতে থাকে। শুকিয়ে গিয়েছিল আমার বুকের দেহপ্রান। একটু পানির জন্য মনে হয় দেহের প্রাণটা বেড় হয়ে যাচ্ছে। চরম অস্থিরতার মাঝে বড় ভাইকে শুধু ইশারা করি——-দাদা পানি খাবো। ভাই দ্রুত এক বোতল পানি এনে দেয়। পানি মুখে দেওয়ার পরে প্রাণের স্পন্দন ফিরে এলেও মুখে পানির স্বাদ বলতে শুধু তেত লেগেছিল- যা কাউকে বুঝাতে পারবো না। এরপর এক্সরের এসি রুমে প্রবেশ করতেই শরীরে আরও স্বস্তি আসলেও হালকা কাশি বেঁড়ে যায়। আল্লাহর রহমতে দ্রুত এক্সরে করে ফের ডাক্তারের কাছে ফিরে আসি।

নিজের বাসার একটি ঘটনা কাছে শেয়ার করছি। অসুস্থ এবং বেশ অসুস্থ। বাসার সবাই বলেন হাসপাতালে নিয়ে যাই চলো। কিন্তু আমি বলেছিলাম আমি অসুস্থ ঠিকই। তবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মত অবস্থা হয়নি। আল্লাহর উপর ভরসা রাখ সবাই। এরই মাঝে আমার বড় ছেলে বুদ্ধি করে অক্সিজেন মাপার একটি মেশিন কিনে এনেছে। বাসায় এসে দ্রুত আমার আঙ্গুল অক্সিমেটে ঢুকিয়ে বাবার অক্সিজেন মাপতে থাকে। যতবার মাপে ততবার দেখা যায় ৯৭ বা ৯৮ উঠে। ছেলে আমার মানসিকভাবে ভরসা পায়। সেও বলে বাবার অক্সিজেন ভাল। আল্লাহর রহমতে আমার বাবা দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবে।

ছেলের সেই কথা শুনে নিজের চোখ দিয়ে কখন জল গড়িয়ে পড়ছে বুঝতে পারিনি। আমার মেজ সন্তান আমার কুটি মা মারিয়াম বলে বাবা-কান্না করছো কেন? দেখ তুমি আল্লাহর রহমতে অনেক সুস্থ আছো। আরও ভাল হয়ে উঠবে। বড় দুটি ভাই বোনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আমার চার বছরের ছোট ছেলে রাফসান বলে উঠে—বাবা আল্লাহ তোমাকে ভাল করে দিছে। এরপর থেকে আমি বিশেষভাবে অসুস্থ থাকা অবস্থায় বাসায় কাটিয়েছি শিশু রাফসান–প্রতিদিন সকাল বেলায় তাঁর ঘুম ভাঙতেই বলেছে আমার বাবা কোঁথায় ” আল্লাহ আজ আমার বাবাকে ভাল করে দিয়েছে”। একথা বলার সাথে সাথে আমার দিকে ছুটে আসত। আমি আজ আমার বাবাকে ছুঁয়ে দেখবো। আমার বাবাকে আমি কতদিন ছুঁতে পারিনি। আমার বাবাকে আমি আদরও করতে পারিনি। এমন করে কত কি কথা বলেছে আমার অবুঝ শিশু বাবা।

আল্লাহ রাহমানির রাহিম। তিনি মহান। শিশু রাফসানসহ করোনার দুঃসময়ে দুনিয়ার বুকের সকল শিশুদের আল্লাহ ভাল রাখুন-আমিন।

বাসায় শুয়ে আছি। এমন সময় শরীরটা একটু ঘেমেছিল। বুকের মাঝখানেও ঘাম হয়েছিল। মুহূর্তের মধ্যে আমি অস্থির হয়ে উঠি। আমার অবস্থা দেখে পরিবারের সবাই ভয় পেয়ে যায়। আমার কাছে মনে হয় দেহ থেকে পরানটা মনে বেড় হয়ে যাবে। ঘরের সবাই কিংকর্তব্যবিম্বুর হয়ে পড়েছিল। অবশেষে পরমকরুনাময়ের দয়ায় আমার হুঁশ থেকে তাদের বলেছিলাম আমার শরীরের ঘাম মুছে দাও আর ফ্যান বাড়িয়ে দিয়ে তালপাখা দিয়ে মাথায় বাতাস করতে থাকো। আমার সহধর্মিণী কথামত কাজটি দ্রুত করতে থাকে। অতপর দুই থেকে তিন মিনিট পরে আমি ফের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসি। বিশেষ অসুস্থ অবস্থায় আমার দুইবার এমনটি হয়েছিল। তবে এটা সত্য মনে হয় মৃত্যুর দোয়ার থেকে আল্লাহ্‌ আমাকে দুইবার ফেরত দিয়েছেন। এজন্য আমার বার বার চাওয়া, বার বার বলা=আল্লাহ আমাদের সবাইকে করোনার আক্রান্তের হাত থেকে ভাল রাখুন। সুস্থ রাখুন তিনি আমাদের। সরকারী সকল নির্দেশনা মেনে চলুন। ঘরে ও ঘরের বাহিরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করুন। তাই করোনাকে ভয় নয় সচেতনার মধ্যে থেকে আমাদের নিজেদেরকে জয় করতে হবে। সবাই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলুন। করোনা টিকা গ্রহণ করে করোনার ভয়কে জয় করুন।

কৃতজ্ঞতা বন্ধনে সবার কাছে কৃতজ্ঞ এবং বিশেষভাবে যাদের কাছে কৃতজ্ঞ। মানবদেহে রোগ বাসা বাঁধবে এটি একটি স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু সারা দুনিয়ার বুকে একটি রোগে আক্রান্ত হওয়ার বিরল দৃষ্টান্ত করোনা ভাইরাস। গোটা দুনিয়াকে কম্পিত করে তুলেছে করোনা ভাইরাস। তবে আল্লাহর কাছে শুক্রিয়া আদায় করছি আমরা করোনা ভাইরাস প্রতিশোধক টিকা বের হয়েছে। সেই সাথে বাংলাদেশের মানুষের জন্যও টিকা এনেছেন সরকার। সারাদেশের মানুষ টিকা গ্রহণ করেছে। গতবারের চেয়ে এবার টিকা গ্রহণে জনসচেতনা অধিকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ধন্যবাদ আওয়ামীলীগ সরকার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে।

বিভাগীয় শহর, জেলা শহর এরপর উপজেলা। বিশেষ করে উপজেলায় থাকে হরেক রকম প্রতিবন্ধকতা। চাল আনতে গিয়ে তাদের নুন তেল ফুরিয়ে থাকে। কিছু হলেই তাদের দৌড়ঝাঁপ করতে হয় জেলা সদরে। দেশের বিভিন্ন উপজলার মাঝে তেমনই একটি উপজেলা “ভাঙ্গা উপজেলা”। প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষের বসবাস এই উপজেলায়। চলামান সময় এখানকার অনেক পরিবারের সন্তান আল্লাহর রহমতে চিকিৎসক হয়েছেন। তারা সুনামের সাথে চিকিৎসা পেশায় আছেন এবং সেবা দান করছেন। ভাঙ্গার সকল চিকিৎসকদের প্রতি সম্মান রেখে বলছি করোনার এই দুঃসময়ে আপনারা মানবিক চেনায় যেভাবে ভাঙ্গাবাসীকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন এজন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।

ভাঙ্গার সন্তান হিসেবে ইতিমধ্যে সাধারণ রোগীদের কাছে একটি নামে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়ে উঠেছে ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার। এমবিবিএস। এমসিপিএস, এফসিপিএস মেডিসিন। বর্তমানে ঢাকা জাঁতীয় বক্ষব্যাধী হাসপাতালের চিকিৎসক। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক হলেও তাঁর সেবার দ্বার সাধারণ অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের জন্য।

সাধারণ মানুষ যাতে সুচিকিৎসা পান এজন্য তিনি নাড়ির টানে সপ্তাহে একদিন শুক্রবার ঢাকা থেকে ভাঙ্গায় আসেন। দেখেন থাকেন বিভিন্ন বয়সের রুগীদের। করোনার মাঝেও ভাঙ্গায় এসে সাধারণ মানুষেরে সেবা দান করে যাচ্ছেন ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার। একজন চিকিৎসকের কাছ থেকে রোগীদের যেমন সেবা পাওয়া দরকার ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকারের কাছ থেকে সেই সেবা পাওয়ার সুবাধে চিকিৎসা সেবা এবং চিকিৎসকদের মান সমুজ্জ্বল করে চলেছেন তিনি এমন ভাষ্য সাধারণ রোগীদের। ভাঙ্গার সন্তান হিসাবে ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার আগামী দিনে তাঁর সেবার মধ্যে দিয়ে আরও এগিয়ে যাবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মহসীন উদ্দিন ফকিরের কাছে। প্রথমত তিনি করোনার শুরুর দিক থেকে আজ পর্যন্ত তাঁর হাসপাতালের একটি দক্ষ টীম নিয়ে ভাঙ্গার সাধারণ জনগণের মাঝে ক্লান্তিহীনভাবে সজাগ দৃষ্টি দিয়ে আজও একই গতিতে কাজ করে যাচ্ছেন। ভাঙ্গা হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। কিন্তু তারপরেও বিভিন্ন প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি চিকিৎসার ক্ষেত্রে যেন কোন মানুষ হয়রানির শিকার না হন সেই দিক বিবেচনা রেখে হাসপাতালে করোনা পরিক্ষার পাশাপাশি অন্যান্য চিকিৎসা তাঁর দক্ষ ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের দিয়ে জনগণের সেবা দিয়ে আসছেন। এজন্য আমরা ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মহসীন উদ্দিন ফকিরের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

বিশেষভাবে আরও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ভাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম হাহিবুর রহমান,ভাঙ্গা উপজেলা শিক্ষা অফিসার মুন্সী রুহুল আসলাম, আবাসিক প্রকৌশলী ইঞ্জিঃ ফরিদুল ইসলাম সাংবাদিক বান্ধব পলাশ দা, জাকির ভাইসহ অন্যান্যরা। আমাদের ভাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সালমান মুন্সী, সদস্য মিঠু চাচা, রমজান শিকদার,সরোয়ার হোসেন, মেহেদী হাসান তুষার সাকিল আহমেদ। এছাড়া সাংবাদিক উজ্জ্বল ভাই। যিনি প্রতিনিয়ত আমাকে ফোন করে খবর নিয়েছেন এবং মনের সাহস যুগিয়েছেন। সর্বপরি যার কথা না বললেল নয়–ভাঙ্গার নিবেদিত সাংবাদিক মাহামুদুর রহমান তুরান। ভাতিজাকে কৃতজ্ঞতা জানাই। কারন ভাতিজা করোনায় আক্রান্ত আমাদের তিনজন সংবাদকর্মীর নিয়মিত খোঁজ খবর রেখেছেন।

আমার পক্ষ থেকে ডাঃ গনেশ (আমার দাদা) তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন না করলেই নয়। কারন তিনি একজন সাংবাদিক বান্ধব চিকিৎসক। আমরা চাই দেশের প্রতিটি হাসপাতলের চিকিৎসকদের মাঝে সাংবাদিক বান্ধব চেতনার মাইলফলক সেবার উম্মেচন পরিস্ফুটিত হোক। কারন করোনার মাঝেও সাংবাদিকরা নিজেদের জীবনের ঝুকি রেখেও সংবাদ সংগ্রহে প্রতিদিন ছুটে চলেন। তারা অনেকেই আক্রান্ত হয়েছেন। অনেকের মৃত্যু হয়েছে। একজন সাংবাদিকও সাধারণ নাগরিক। সেবার যায়গায় গিয়ে তারা যদি সেই সম্মান টুকু পেয়ে থাকেন সেখানেও একজন কলম সৈনিকের তৃপ্তির পাওয়া। ভাল থাকুক সাংবাদিক সমাজ, ভাল থাকুক সেবা দ্বারের প্রধান আমাদের চিকিৎসক সমাজ। ভাল থাকুক করোনার এই দুঃসময়ে দেশের সকল মানুষ। করোনা টিকা নিন। অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুণ। আপনাদের সকলের দোয়া ও ভালবাসায় আজ আমি অনেক অনেক ভাল আছি। আপনারা সবাই ভাল থাকবেন। নিরাপদে থাকবেন।

লেখক মামুনুর রশিদ
সংবাদকর্মী


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category